

ঐতিহাসিক ৭ মার্চ এর ভাষণ
৭ মার্চ রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমানে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) সমবেত জনসমুদ্রে জাতির উদ্দেশে ঐতিহাসিক ভাষণ দেন বঙ্গবন্ধু। তাঁর এই ভাষণ জাতিকে অনুপ্রাণিত করে স্বাধীনতার জন্য সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তে। ২০১৭ সালে ইউনেস্কো এই ঐতিহাসিক ভাষণকে বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ প্রামাণ্য ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। ৭ মার্চ রেসকোর্সের জনসমুদ্র থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ঘোষণা করেন ‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম, জয় বাংলা’। ঐতিহাসিক ভাষণে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু বাঙালি জাতিকে শৃঙ্খল মুক্তির আহ্বান জানিয়ে ঘোষণা করেন, “রক্ত যখন দিয়েছি রক্ত আরও দেবো। এদেশের মানুষকে মুক্ত করে ছাড়বো ইনশাআল্লাহ্।”

মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশকে কেন ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল?
সত্তরের নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করলেও শেখ মুজিবকে সরকার গঠনে আহ্বান করার পরিবর্তে প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খান ১৯৭১ সালের ১লা মার্চ জাতীয় পরিষদ অধিবেশন অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত ঘোষণা করেন। প্রতিবাদে শেখ মুজিবের নেতৃত্বে পূর্ব পাকিস্তানে অসহযোগ আন্দোলন শুরু হয়। এরপর ২৫ শে মার্চ রাতে গণহত্যা চালায় পাকিস্তান সেনাবাহিনী এবং শুরু হয় বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ।

তেলিয়াপাড়ায় বৈঠক এবং চারজন সিনিয়র কমান্ডারের ওপর অপারেশনের দায়িত্ব
গণহত্যা শুরুর পর সামরিক বাহিনী, ইপিআর, পুলিশ ও আনসার বাহিনীর বাঙালি সদস্য এবং তরুণ দেশপ্রেমিকেরা স্থানীয়ভাবে প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। এর মধ্যে ১৯৭১ সালের ৪ঠা এপ্রিল সামরিক বাহিনীর বাঙালি কর্মকর্তারা সিলেটের তেলিয়াপাড়া চা বাগানে এক বৈঠকে মিলিত হন। সেখানেই প্রণীত হয়েছিল মুক্তিযুদ্ধের রণকৌশল, যা তেলিয়াপাড়া স্ট্র্যাটেজি নামে পরিচিত। ইস্টবেঙ্গল রেজিমেন্টের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ মোট ২৭ জন সেনা কর্মকর্তা ওই বৈঠকে অংশ নিয়েছিলেন। ‘বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধ দলিলপত্র’ বইয়ে উল্লেখ করা হয়েছে, ১৯৭১ সালে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর পাঁচটি বাঙালি রেজিমেন্ট ছিল। এর মধ্যে দ্বিতীয়, তৃতীয়, চতুর্থ ও অষ্টম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট গণহত্যার আগে থেকেই বিভিন্ন স্থানে বিদ্রোহ করে এবং প্রতিরোধযুদ্ধ শুরু করে। বেঙ্গল রেজিমেন্টের বাইরে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টাল সেন্টারে প্রশিক্ষণরত সেনা সদস্যসহ সেনাবাহিনীর বিভিন্ন ইউনিটে কর্মরত বাঙালি সেনাদের বড় অংশ পালিয়ে এসে মুক্তিযুদ্ধে যোগ দিয়েছিলেন। অসংগঠিত ও বিচ্ছিন্নভাবে শুরু হওয়া এই প্রতিরোধযুদ্ধকে সংগঠিতভাবে পরিচালনা করার জন্য তেলিয়াপাড়া বৈঠকের আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানে সিদ্ধান্ত হয় এম এ জি ওসমানী যুদ্ধে নেতৃত্ব দেবেন এবং বাংলাদেশকে চারটি সামরিক অঞ্চলে ভাগ করে সশস্ত্র যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়া হবে। এর দায়িত্ব দেয়া হয় চারজন সিনিয়র কমান্ডারকে। ওই বৈঠকে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী বাহিনী সম্পর্কিত সাংগঠনিক ধারণা এবং কমান্ড কাঠামোর রূপরেখা প্রণীত হয়। এপ্রিলের ১০ তারিখে শেখ মুজিবুর রহমানকে রাষ্ট্রপতি, সৈয়দ নজরুল ইসলামকে উপরাষ্ট্রপতি এবং তাজউদ্দিন আহমদকে প্রধানমন্ত্রী করে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের প্রবাসী সরকার তথা মুজিবনগর সরকার গঠিত হয়। তারপর আরও চারটি সামরিক অঞ্চল ঘোষণা করে সেগুলোর সেক্টর কমান্ডারদের নাম ঘোষণা করেন তাজউদ্দিন আহমদ।
| বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধের সেক্টরসমূহ | ||||||
|---|---|---|---|---|---|---|
| সেক্টর | বিস্তৃতি | সদরদপ্তর | কমান্ডার | দায়িত্বকাল | সাবসেক্টর | সাবসেক্টর কমান্ডার |
| ১ | চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রাম থেকে ফেনী নদী পর্যন্ত | হরিণা | মেজর জিয়াউর রহমান | ১০ এপ্রিল, ১৯৭১ হতে ২৫ জুন, ১৯৭১ | রিশিমুখ | ক্যাপ্টেন শামসুল ইসলাম |
| ক্যাপ্টেন রফিকুল ইসলাম | ২৮ জুন, ১৯৭১ হতে ৬ই এপ্ৰিল, ১৯৭২ | শ্রীনগর | ক্যাপ্টেন মতিউর রহমান, ক্যাপ্টেন মাহফুজুর রহমান | |||
| মানুঘাট | ক্যাপ্টেন মাহফুজুর রহমান | |||||
| তাবালছড়ি | সার্জেন্ট আলি হোসেন | |||||
| দিমাগিরি | আর্মি সার্জেন্ট, নাম: অজ্ঞাত | |||||
| ২ | নোয়াখালী জেলা, কুমিল্লা জেলার আখাউড়া – ভৈরব রেললাইন পর্যন্ত এবং ফরিদপুর ও ঢাকার অংশবিশেষ | মেলাঘর | মেজর খালেদ মোশাররফ | ১০ এপ্রিল, ১৯৭১ হতে ২২ সেপ্টেম্বর, ১৯৭১ | গঙ্গাসাগর, আখাউড়া এবং কসবা | মাহবুব, লেফটেন্যান্ট ফারুক এবং লেফটেন্যান্ট হুমায়ুন কবির |
| মেজর এ.টি.এম. হায়দার | ২২ সেপ্টেম্বর, ১৯৭১ হতে ৬ই এপ্ৰিল, ১৯৭২ | |||||
| মন্দাভব | ক্যাপ্টেন গফর | |||||
| সালদা-নদী | মাহমুদ হাসান | |||||
| মতিনগর | লেফটেন্যান্ট দিদারুল আলম | |||||
| নির্ভয়পুর | ক্যাপ্টেন আকবর, লেফটেন্যান্ট মাহবুব | |||||
| রাজনগর | ক্যাপ্টেন জাফর ইমাম, ক্যাপ্টেন শহীদ, লেফটেন্যান্ট ইমামুজ্জামান | |||||
| ৩ | সিলেট জেলার হবিগঞ্জ মহকুমা, কিশোরগঞ্জ মহকুমা, আখাউড়া-ভৈরব রেললাইন থেকে উত্তর-পূর্ব দিকে কুমিল্লা ও ঢাকা জেলার অংশবিশেষ | কলাগাছি | মেজর কে এম শফিউল্লাহ | ১০ এপ্রিল, ১৯৭১ হতে ২১ জুলাই, ১৯৭১ | আশ্রমবাড়ি | ক্যাপ্টেন আজিজ, ক্যাপ্টেন ইজাজ |
| মেজর এ.এন.এম. নূরুজ্জামান | ২৩ জুলাই, ১৯৭১ হতে ৬ই এপ্ৰিল, ১৯৭২ | বাঘাইবাড়ি | ক্যাপ্টেন আজিজ, ক্যাপ্টেন ইজাজ | |||
| হাতকাটা | ক্যাপ্টেন মতিউর রহমান | |||||
| সিমলা | ক্যাপ্টেন মতিন | |||||
| পঞ্চবাটি | ক্যাপ্টেন নাসিম | |||||
| মনতালা | ক্যাপ্টেন এম এস এ ভূঁইয়া | |||||
| বিজয়নগর | ক্যাপ্টেন এম এস এ ভূঁইয়া | |||||
| কালাচ্ছরা | লেফটেন্যান্ট মজুমদার | |||||
| কলকলিয়া | লেফটেন্যান্ট গোলাম হেলাল মোর্শেদ | |||||
| বামুতিয়া | লেফটেন্যান্ট সাঈদ | |||||
| ৪ | সিলেট জেলার পূর্বাঞ্চল এবং খোয়াই-শায়েস্তাগঞ্জ রেললাইন বাদে পূর্ব ও উত্তর দিকে সিলেট-ডাউকি সড়ক পর্যন্ত | নাসিমপুর | মেজর চিত্ত রঞ্জন দত্ত | ১০ এপ্রিল, ১৯৭১ হতে ৬ই এপ্ৰিল, ১৯৭২ | জালালপুর | মাহবুবুর রব সাদী |
| বাড়াপুঞ্জি | ক্যাপ্টেন এ রব | |||||
| আমলাসিদ | লেফটেন্যান্ট জহির | |||||
| কুকিতাল | ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট কাদের, ক্যাপ্টেন শরিফুল হক | |||||
| কৈলাস শহর | লেফটেন্যান্ট ওয়াকিউজ্জামান | |||||
| কামালপুর | ক্যাপ্টেন এনাম | |||||
| ৫ | সিলেট-ডাউকি সড়ক থেকে সিলেট জেলার সমগ্র উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চল | বাঁশতলা | মেজর মীর শওকত আলী | ১০ এপ্রিল, ১৯৭১ হতে ৬ই এপ্ৰিল, ১৯৭২ | মুক্তাপুর | সার্জেন্ট নাজির হোসেন, মুক্তিযোদ্ধা ফারুক ছিলেন সেকেন্ড ইন কমান্ড |
| ডাউকি | সার্জেন্ট মেজর বি আর চৌধুরী | |||||
| শিলা | ক্যাপ্টেন হেলাল | |||||
| ভোলাগঞ্জ | লেফটেন্যান্ট তাহের উদ্দিন আখঞ্জী | |||||
| বালাট | সার্জেন্ট গনি, ক্যাপ্টেন সালাউদ্দিন এবং এনামুল হক চৌধুরী | |||||
| বারাচ্ছড়া | ক্যাপ্টেন মুসলিম উদ্দিন | |||||
| ৬ | সমগ্র রংপুর জেলা এবং দিনাজপুর জেলার ঠাকুরগাঁও মহকুমা | বুড়ি মাড়ি | উইং কমান্ডার মোহাম্মদ খাদেমুল বাশার | ১০ এপ্রিল, ১৯৭১ হতে ৬ই এপ্ৰিল, ১৯৭২ | ভজনপুর | ক্যাপ্টেন নজরুল, ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট সদরুদ্দিন এবং ক্যাপ্টেন শাহরিয়ার |
| পাটগ্রাম | প্রথমদিকে ই পি আর এর জুনিয়র কমিশন প্রাপ্ত অফিসারদের মধ্যে ভাগ করে দেয়া হয় এবং পরে ক্যাপ্টেন মতিউর রহমান দায়িত্ব নেন | |||||
| সাহেবগঞ্জ | ক্যাপ্টেন নওয়াজেশ উদ্দীন | |||||
| মোগলহাট | ক্যাপ্টেন দেলোয়ার | |||||
| চাউলাহাটি | ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট ইকবাল | |||||
| ৭ | দিনাজপুর জেলার দক্ষিণাঞ্চল, বগুড়া, রাজশাহী এবং পাবনা জেলা | তরঙ্গপুর | মেজর নাজমুল হক *দুর্ঘটনায় নিহত | ১০ এপ্রিল, ১৯৭১ হতে ২৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭১ | মালন | প্রথমদিকে ই পি আর এর জুনিয়র কমিশন প্রাপ্ত অফিসারদের মধ্যে ভাগ করে দেয়া হয় এবং পরে ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গির দায়িত্ব নেন |
| তপন | মেজর নাজমুল হক | |||||
| মেহেদিপুর | সুবেদার ইলিয়াস, ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গির | |||||
| মেজর কাজী নূরুজ্জামান | ২৮ সেপ্টেম্বর, ১৯৭১ হতে ৬ই এপ্ৰিল, ১৯৭২ | হামজাপুর | ক্যাপ্টেন ইদ্রিস | |||
| বৃহত্তম পাবনা- | মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল ইসলাম (বকুল) ও মুক্তিযোদ্ধা মো:নুরুজ্জামান বিশ্বাস (মুজিব বাহিনী) | |||||
| শেখপাড়া | ক্যাপ্টেন রশিদ | |||||
| ঠোকরাবাড়ি | সুবেদার মুয়াজ্জেম | |||||
| মুহম্মদ রফিকুল ইসলাম | ||||||
| লালগোলা | ক্যাপ্টেন গিয়াসউদ্দিন চৌধুরী | |||||
| ৮ | সমগ্র কুষ্টিয়া, মাগুরা জেলা, ঝিনাইদহ জেলা ও যশোর জেলা, ফরিদপুরের অধিকাংশ এলাকা এবং দৌলতপুর-সাতক্ষীরা সড়কের উত্তরাংশ | বেনাপোল | মেজর আবু ওসমান চৌধুরী | ১০ এপ্রিল, ১৯৭১ হতে ১৭ জুলাই, ১৯৭১ | বয়ড়া | ক্যাপ্টেন খন্দকার নাজমুল হুদা |
| মেজর এম. এ. মঞ্জুর | ১৪ আগস্ট, ১৯৭১ হতে ৬ই এপ্ৰিল, ১৯৭২ | হাকিমপুর | ক্যাপ্টেন সফিউল্লাহ | |||
| ভোমরা | ক্যাপ্টেন সালাউদ্দিন, ক্যাপ্টেন শাহাবুদ্দিন | |||||
| লালবাজার | ক্যাপ্টেন এ আর আজম চৌধুরী | |||||
| বনপুর | ক্যাপ্টেন মোস্তাফিজুর রহমান | |||||
| বেনাপোল | ক্যাপ্টেন আবদুল হালিম, ক্যাপ্টেন তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী | |||||
| শিকারপুর | ক্যাপ্টেন তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী, লেফটেন্যান্ট জাহাঙ্গীর | |||||
| ৯ | দৌলতপুর–সাতক্ষীরা সড়ক থেকে খুলনার দক্ষিণাঞ্চল এবং সমগ্র বরিশাল ও পটুয়াখালী জেলা | হাসনাবাদ | মেজর এম এ জলিল | ১০ এপ্রিল, ১৯৭১ হতে ২৪ ডিসেম্বর, ১৯৭১ | তাকি | ১. ক্যাপ্টেন শফিকুল্লা ২. ক্যাপ্টেন মাহবুব আহমেদ ৩. মোহাম্মদ শাহজাহান (ক্যাপ্টেন শাহজাহান মাস্টার নামে খ্যাত) ৪. ক্যাপ্টেন এম.এন হুদা ৫. ক্যাপ্টেন জিয়াউদ্দিন ৬. লে. মাহফুজ আলম বেগ ৭. লে. সামসুল আরেফিন |
| হিঞ্জালগঞ্জ | ||||||
| মেজর জয়নুল আবেদীন | ২৪ ডিসেম্বর, ১৯৭১ হতে ৬ই এপ্ৰিল, ১৯৭২ | শমসেরনগর | অজ্ঞাত | |||
| ১০ | কোনো আঞ্চলিক সীমানা নেই। ৫১৫ জন নৌবাহিনীর কমান্ডো অধীনস্হ। শত্রুপক্ষের নৌযান ধ্বংসের জন্য বিভিন্ন সেক্টরে পাঠানো হত | প্রযোজ্য নয় | প্রযোজ্য নয় | প্রযোজ্য নয় | নেই | প্রযোজ্য নয় |
| ১১ | কিশোরগঞ্জ মহকুমা বাদে সমগ্র ময়মনসিংহ ও টাঙ্গাইল জেলা এবং নগরবাড়ি-আরিচা থেকে ফুলছড়ি-বাহাদুরাবাদ পর্যন্ত যমুনা নদী ও তীর অঞ্চল | মহেন্দ্রগঞ্জ | মেজর জিয়াউর রহমান | ২৬ জুন, ১৯৭১ হতে ১০ অক্টোবর, ১৯৭১ | মানকাচর | স্কোয়াড্রন লিডার এম হামিদুল্লাহ খান |
| মেজর আবু তাহের | ১০ অক্টোবর, ১৯৭১ হতে ২ নভেম্বর, ১৯৭১ | |||||
| স্কোয়াড্রন লিডাৱ এম হামিদুল্লাহ খান | ২ নভেম্বর, ১৯৭১ হতে ৬ই এপ্ৰিল, ১৯৭২ | |||||
| মাহেন্দ্রগঞ্জ | মেজর আবু তাহের; লেফটেন্যান্ট মান্নান | |||||
| পুরাখাসিয়া | লেফটেন্যান্ট হাশেম | |||||
| ধালু | লেফটেন্যান্ট তাহের; লেফটেন্যান্ট কামাল | |||||
| রংগ্রা | মতিউর রহমান | |||||
| শিভাবাড়ি | ই পি আর এর জুনিয়র কমিশন প্রাপ্ত অফিসারদের মধ্যে ভাগ করে দেয়া হয় | |||||
| বাগমারা | ই পি আর এর জুনিয়র কমিশন প্রাপ্ত অফিসারদের মধ্যে ভাগ করে দেয়া হয় | |||||
| মাহেশখোলা | ই পি আর এর জনৈক সদস্য | |||||
